আমরা শুধু একটি গেমিং সাইট নই। Acesuper হলো বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের বিনোদনের ঠিকানা — যেখানে প্রযুক্তি, বিশ্বাস ও স্থানীয় বোঝাপড়া একসাথে কাজ করে।
"বাংলাদেশের প্রতিটি কোণায় একটি নিরাপদ, ন্যায্য এবং আনন্দময় গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া — এটাই Acesuper-এর প্রতিশ্রুতি।"
২০২১ সালের শুরুর দিকে যখন Acesuper-এর যাত্রা শুরু হয়, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং মানে ছিল বিদেশি সাইটে ইংরেজিতে হাতড়ানো, পেমেন্টে ঝামেলা আর ভাষার বাধা। একদল তরুণ বাংলাদেশি প্রযুক্তিবিদ ভাবলেন — এটা হওয়া উচিত নয়। দেশের মানুষ যেন নিজের ভাষায়, নিজের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে সহজে গেম খেলতে পারেন — এই ভাবনা থেকেই Acesuper-এর জন্ম।
প্রথম বছরেই Acesuper বাংলাদেশের গেমিং জগতে একটা আলাদা জায়গা করে নেয়। বাংলা ইন্টারফেস, বিকাশ-নগদ দিয়ে জমা-উত্তোলন এবং স্থানীয় গ্রাহক সেবা — এই তিনটি বিষয় মানুষকে অবাক করে দেয়। যেখানে অন্য সাইটগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা উইথড্রয়ালে ফেলে রাখত, Acesuper সেখানে মাত্র কয়েক মিনিটে টাকা পাঠানো শুরু করে।
২০২২ সালে Acesuper লাইভ ক্যাসিনো ও ক্রিকেট বেটিং বিভাগ চালু করে। বিপিএল ও আইপিএলের মৌসুমে প্ল্যাটফর্মের ট্র্যাফিক আকাশ ছুঁয়ে যায়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ Acesuper-কে তাদের প্রথম পছন্দ বানিয়ে নেন। চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে রাজশাহীর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র — সবার কাছে Acesuper পরিচিত মুখ হয়ে ওঠে।
২০২৩ সালে আমরা বিশ্লেষণ বিভাগ চালু করি, যেখানে সদস্যরা নিজেদের গেমিং ডেটা ট্র্যাক করতে পারেন। এই ফিচার বাংলাদেশের কোনো গেমিং প্ল্যাটফর্মে এর আগে ছিল না। ২০২৬ সালে এআই-চালিত ব্যক্তিগতকৃত পরামর্শ ব্যবস্থা যোগ হয়। আর ২০২৬ সালে এসে Acesuper বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও বিশ্বস্ত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আমাদের পরিচয়: Acesuper কোনো বিদেশি কোম্পানির বাংলাদেশ শাখা নয়। এটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশিদের দ্বারা পরিচালিত, বাংলাদেশিদের জন্য তৈরি একটি দেশীয় প্ল্যাটফর্ম।
আজ Acesuper-এ ৮ লাখের বেশি নিবন্ধিত সদস্য রয়েছেন। প্রতিদিন ৪৫,০০০-এর বেশি সক্রিয় সেশন হয় এবং মাসে কোটি টাকার বেশি পেআউট দেওয়া হয়। কিন্তু আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় পুরস্কার হলো সদস্যদের বিশ্বাস — যে বিশ্বাস আমরা প্রতিদিন অর্জন করি।
আমাদের প্ল্যাটফর্মের ছয়টি মূল বৈশিষ্ট্য যা Acesuper-কে বাকিদের থেকে আলাদা করে
Acesuper SSL এনক্রিপশন ও দুই-স্তরীয় যাচাইকরণ ব্যবস্থা ব্যবহার করে। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। প্রতিটি লেনদেন এনক্রিপ্টেড চ্যানেলে সম্পন্ন হয়।
Acesuper বাংলাদেশের একমাত্র গেমিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে মেনু থেকে শুরু করে গ্রাহক সেবা পর্যন্ত সব কিছু সম্পূর্ণ বাংলায়। ভাষার কোনো বাধা নেই।
বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে মাত্র ২-৫ মিনিটে উইথড্রয়াল। ডিপোজিট তাৎক্ষণিক। কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো অতিরিক্ত ফি নেই।
ক্রিকেট বেটিং, লাইভ ক্যাসিনো, স্লট, ফুটবল — সব ধরনের গেম এক ছাদের নিচে। বিশ্বের সেরা গেম প্রোভাইডারদের সাথে Acesuper-এর অংশীদারিত্ব রয়েছে।
রাত ৩টায় সমস্যা হলেও আমাদের বাংলাভাষী সাপোর্ট টিম সাথে আছে। লাইভ চ্যাট, ফোন ও ইমেইলে সাপোর্ট পাওয়া যায়। গড় সাড়া দেওয়ার সময় ৩ মিনিটের কম।
Acesuper-এর ৭৮% সদস্য মোবাইলে খেলেন। তাই পুরো প্ল্যাটফর্ম মোবাইল-কেন্দ্রিকভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। অ্যাপ ও ব্রাউজার — দুটোতেই একই মসৃণ অভিজ্ঞতা।
চার বছরে Acesuper যা গড়ে তুলেছে তার একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র
Acesuper পরিচালনার পেছনে কিছু অবিচল নীতি রয়েছে যা আমরা কখনো আপোষ করি না। এগুলোই আমাদের পরিচয়।
Acesuper-এ কোনো লুকানো শর্ত নেই। প্রতিটি বোনাসের নিয়ম, প্রতিটি পেমেন্টের বিস্তারিত সব কিছু সদস্যদের সামনে খোলামেলাভাবে উপস্থাপন করা হয়। আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতাই দীর্ঘস্থায়ী বিশ্বাসের ভিত্তি।
প্রতিটি লেনদেন, প্রতিটি অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখা আমাদের প্রথম দায়িত্ব। আমরা সর্বশেষ সাইবার নিরাপত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করি এবং নিয়মিত নিরাপত্তা অডিট করি।
Acesuper বিশ্বাস করে গেমিং বিনোদনের জন্য, আসক্তির জন্য নয়। আমরা সদস্যদের খরচের সীমা নির্ধারণ করতে, বিরতি নিতে এবং প্রয়োজনে সাহায্য নিতে উৎসাহিত করি।
আমাদের দলের প্রতিটি সদস্য বাংলাদেশি। আমরা জানি এদেশের মানুষের কী দরকার, কোথায় সমস্যা হয়, কীভাবে সাহায্য করতে হয়। এই স্থানীয় বোঝাপড়াই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
Acesuper-এর পেছনে রয়েছে একদল নিবেদিতপ্রাণ বাংলাদেশি পেশাদার যাঁরা প্রতিদিন সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
প্রযুক্তি ও ফিনটেকে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা। Acesuper-এর স্বপ্নদ্রষ্টা।
সাইবার নিরাপত্তা ও প্ল্যাটফর্ম আর্কিটেকচারে বিশেষজ্ঞ।
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নয়নে ৮ বছর কাজ করেছেন।
৫০ জনের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন, সদস্যদের সমস্যা সমাধানে সর্বদা সক্রিয়।
Acesuper সম্পর্কে নতুন সদস্যদের মনে যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি আসে